বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় মিডিয়ায় “ঘুষের হাট রায়পুর সাব রেজিস্ট্রার অফিস” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতি আমাদের দৃষ্টি আকৃষ্ট হয়েছে, সংবাদে অন্যান্য অফিসের ন্যায় অস্থায়ী কর্মচারী সোহেলের বিষয়ে বিভিন্ন অনিয়ম ও বদলীর বিষয়ে উল্লেখ করা হয়, প্রকৃত ঘটনা হলো সোহেলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের বিষয়ে অভিযোগের ভিত্তিতে প্রেষনে তাকে রায়পুর থেকে কমলনগর বদলী করা হয়, পরবর্তীতে তার অভিযোগের বিষয়ে দুই জেলার জেলা রেজিস্ট্রারগণ তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে করা অভিযোগের কোন সত্যতা প্রমানিত না হওয়ায় তাকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন। তৎপ্রেক্ষিতে জেলা রেজিস্ট্রার তাকে আবার রায়পুর অফিসে পুনরায় পুনঃবহাল করেন। এ ছাড়া সংবাদে রায়পুর অফিসের অফিস সহকারী (কেরানী) আছমা আক্তারের ঘুষ ও দূর্নীতির বিষয়ে অভিযোগ আনা হয় এবং অর্থ গননার একটি ছবি ছাপা হয়, প্রকৃত বিষয় হলো রায়পুর সাব রেজিস্ট্রার তাকে নগদ ফিস (এন-ফিস, ই-ফিস ও তল্লাসী ফিস) এর টাকা গ্রহণ করার আদেশের প্রেক্ষিতে সাব-রেজিষ্ট্রারের পক্ষে তিনি নগদ অর্থ গ্রহণ করে পরের দিন চালানের মাধ্যমে সরকারী কোষাগারে জমা প্রদান করেন । ঐ নগদ অর্থ গ্রহণ করে গণনার সময়ে অসৎ উদ্দেশ্যে জনৈক দলিল লেখক তার ছবি তুলে মিডিয়ায় প্রেরণ করেন। যাহা সম্পূর্ণ বেআইনী ও ফৌজদারী অপরাধের শামিল। এছাড়াও রামগঞ্জ ও চন্দ্রগঞ্জ অফিসের অফিস সহকারী (কেরানীগণ) সাব রেজিষ্টারের পক্ষে ঐ নগদ ফিসই গ্রহণ করেন। এখানে আত্মসাৎ বা দূর্নীতির কোন বিষয় নেই। অপরদিকে বিভিন্ন অফিসের দলিল সম্পাদনের বিষয়ে সাব-রেজিস্ট্রারগণ স্থানীয় দলিল লেখকদের সাথে আলোচনা করে সপ্তাহে তিনদিন অথবা চারদিন দলিল সম্পাদনের কাজ করে থাকেন লেখকদের কথা বিবেচনা করে। কারন অধিকাংশ দলিল লেখক দলিল লেখার পাশাপাশি ভূমি জরিপের কাজ করে থাকেন । সপ্তাহের বাকী দিন গুলোতে সাব-রেজিষ্টারগণ অফিসের অন্যান্য দাপ্তরিক কাজ করে থাকেন। অতএব, সংবাদে যাহা উল্লেখ করা হয়েছে, তাহা সম্পূর্ণ একপেশে ও অভিযুক্তদের আত্মপক্ষ সমর্থনের কোন সুযোগ দেয়া হয়নি এবং অভিযুক্তদের বক্তব্য নেয়া হয়নি, আমরা পরিবেশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
সাব -রেজিস্ট্রি অফিস কর্তৃপক্ষ।
আপনার মতামত লিখুন :