• ঢাকা
  • , ,
প্রকাশিত: 7 May, 2025
আপডেট : 7 May, 2025



লক্ষ্মীপুরে বিআরটিএ কার্যালয়ে দুদকের অভিযান

গ্রামীণ কণ্ঠ

লক্ষ্মীপুর: গ্রাহক হয়রানি, দালালের দৌরাত্ম ও ঘুষ লেনদেনসহ নানান অভিযোগে লক্ষ্মীপুর বিআরটিএ কার্যালয়ে অভিযান পরিচালনা করেছে দুদক। ০৭ মে (বুধবার) দুপুরে দুদক চাঁদপুর জেলা সমন্বিত কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো: আজগর হোসেনর নেতৃত্বে একটি টিম জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের পাশে অবস্থিত বিআরটিএ কার্যালয়ে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এসময় দুদক কর্মকর্তারা মোবাইলফোনে কয়েকজন সেবা গ্রহীতার সাথে অভিযোগের বিষয়ে কথা বলেন। পরে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে গ্রাহক অভিযোগের বিষয়ে লিখিত বক্তব্য নেন। এছাড়া বিভিন্ন নথিপত্র এবং তথ্য সংগ্রহ করে দুদক টিম।
গ্রাহকদের পেন্ডিং তালিকা ও আবেদনের রেজিস্ট্রারের, ড্রাইভিং লাইসেন্স, রেজিষ্ট্রেশন নাম্বারসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে  তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এগুলো পর্যালোচনা করে কমিশন থেকে বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।
অভিযান শেষে দুদকের সহকারী পরিচালক মো. আজগর হোসেন বলেন, লক্ষ্মীপুর বিআরটিএ অফিসের বা গাড়ির নাম্বার প্লেট করাতে আসলে পদে পদে হয়রানির শিকার হতে হয়। দালালদের মাধ্যমে না আসলে সেবা পেতে বিলম্ব হয়, এ ধরনের অভিযোগ দুদকের গোচরীভূত হয়।
কমিশনের অনুমোদনক্রমে আমরা একটি ইনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করি। শুরুতে আমরা ছদ্মবেশে সেবা গ্রহীতাদের সাথে কথা বলার চেষ্টা করি। তবে এ কার্যালয়ে সেবাগ্রহীতা তেমন একটা ছিল না। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে যারা সেবা নিয়েছে, তাদের মোবাইল ফোনে কথা বলি। কয়েকজন সেবাগ্রহীতা আমাদেরকে জানিয়েছেন তাদেরকে সেবা নিতে বাড়তি টাকা দিতে হয়। অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা আছে। সেবাগ্রহীতারা গাড়ির শো-রুম কিংবা অন্য ব্যক্তির মাধ্যমে বাড়তি টাকা দিতে হয়। তারা কোন না কোনভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। কারা কারা জড়িত, আমরা এখনো সুনিশ্চিত হতে পারিনি। আমরা রেকর্ডপত্র পর্যালোচনা করেছি। আরও রেকর্ডপত্র সংগ্রহ করে কমিশন বরাবর প্রতিবেদন দাখিল করবো। কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অনিয়মের বিষয়ে লক্ষ্মীপুর বিআরটিএ কার্যালয়ের মোটরযান পরিদর্শক প্রণব চন্দ্র নাগ বলেন, দুদক যেসব গ্রাহকদের সাথে কথা বলেছে, কেউ বলেছে গাড়ির শো-রুমকে দিছে, কেউ বলছে দালালের মাধ্যমে দিয়েছে, ওনারা যদি আমাদের কাছে সরাসরি বলতো, আমরা দেখতে পারবো যে আমাদের নাম ভাঙিয়ে আসলে কারা এ টাকাটা নিচ্ছে। কার্যালয়ে দালাল এবং শো-রুমের মাধ্যমে বাড়তি টাকা আদায়ের বিষয়টি অস্বীকার করেন এ কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন

  • লক্ষ্মীপুর সংবাদ এর আরও খবর