• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ২১শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ২৯ এপ্রিল, ২০২৫
আপডেট : ২৯ এপ্রিল, ২০২৫



ভিত্তিহীন বিষয় নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করা ও প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

গ্রামীণ কণ্ঠ

নানা অনিয়ম ও জাল-জালিয়াতির দায়ে বহিস্কৃত দলিল লেখক তারেক হোসেন তুহিন কর্তৃক মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন বিষয় নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করা ও প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাব -রেজিস্ট্রি অফিস কর্তৃপক্ষ। বহিস্কৃত দলিল লেখক তারেক হোসেন তুহিনের বিরুদ্ধে জাল পর্চা, জাল খাজনা রশিদ, জাল দলিল তৈরী এবং অফিসে দলিল সম্পাদনের কাজে বিভিন্ন অনিয়মের কারনে তাকে ইতিমধ্যে তিন তিন বার বহিস্কার/বরখাস্ত করা হয়। ইতিপূর্বেও বহিস্কৃত দলিল লেখক তারেক হোসেন তুহিনের বিরুদ্ধে জাল পর্চা, জাল খাজনা রশিদ, জাল দলিল তৈরী করার অপরাধে তাকে রায়পুর দলিল লেখক সমিতি থেকেও দুই-তিন বার বহিস্কার করা হয়। তার বিভিন্ন অনিয়ম মাত্রা চাড়িয়ে যাওয়ার কারনে তার লাইসেন্স স্থগিত করা হয়। এতে সে ক্ষুব্দ হয়ে রায়পুর সাব রেজিস্ট্রার অফিস ও সাব-রেজিষ্টার ইউনুস সোহেল, অফিস সহকারী (কেরানী) আছমা আক্তার ও অস্থায়ী কর্মচারী সোহেলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন কুৎসা রটিয়ে মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন বিষয় নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে। এতে করে একজন সৎ-দক্ষ বিচক্ষণ অফিসার ইউনুস সোহেল, সাব-রেজিষ্টার রায়পুর, অফিস সহকারী (কেরানী) আছমা আক্তার ও অস্থায়ী কর্মচারী সোহেলকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে ও হীনস্বার্থ চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যে তাদেরকে সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করে। এ বিষয়ে অচিরেই রায়পুর সাব রেজিস্ট্রি অফিস কর্তৃপক্ষ বহিস্কৃত দলিল লেখক তারেক হোসেন তুহিনের বিরুদ্ধে মানহানি মামলা করার প্রস্তুতি গ্রহন করবে। এর আগেও সে বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় মিডিয়ায় মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য প্রেরণ করে, যার কারনে বিভিন্ন মিডিয়ায় “ঘুষের হাট রায়পুর সাব রেজিস্ট্রার অফিস” শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। ঐ সংবাদের বিষয়েও বিভিন্ন মিডিয়ায় রায়পুর সাব -রেজিস্ট্রি অফিস কর্তৃপক্ষ সংবাদের প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা প্রদান করে। এখানেও তা তুলে ধরা হলোÑঅন্যান্য অফিসের ন্যায় অস্থায়ী কর্মচারী সোহেলের বিভিন্ন অনিয়ম ও বদলীর বিষয়ে উল্লেখ করা হয়, প্রকৃত ঘটনা হলো সোহেলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের বিষয়ে অভিযোগের ভিত্তিতে প্রেষনে তাকে রায়পুর থেকে কমলনগর বদলী করা হয়, পরবর্তীতে তার অভিযোগের বিষয়ে দুই জেলার জেলা রেজিস্ট্রারগণ তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে করা অভিযোগের কোন সত্যতা প্রমানিত না হওয়ায় তাকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন। তৎপ্রেক্ষিতে জেলা রেজিস্ট্রার তাকে আবার রায়পুর অফিসে পুনরায় পুনঃবহাল করেন। এ ছাড়া সংবাদে রায়পুর অফিসের অফিস সহকারী (কেরানী) আছমা আক্তারের ঘুষ ও দূর্নীতির বিষয়ে অভিযোগ আনা হয় এবং অর্থ গননার একটি ছবি মিডিয়ায় ছাপা হয়, প্রকৃত বিষয় হলো রায়পুর সাব রেজিস্ট্রার তাকে নগদ ফিস (এন-ফিস, ই-ফিস ও তল্লাসী ফিস) এর নগদ টাকা গ্রহণ করার আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে সাব-রেজিষ্ট্রারের পক্ষে তিনি নগদ অর্থ গ্রহণ করে পরের দিন চালানের মাধ্যমে সরকারী কোষাগারে জমা প্রদান করেন । ঐ নগদ অর্থ গ্রহণ করে গণনার সময়ে অসৎ উদ্দেশ্যে বহিস্কৃত দলিল লেখক তারেক হোসেন তুহিন ছবি তুলে মিডিয়ায় প্রেরণ করেন। যাহা সম্পূর্ণ বেআইনী ও ফৌজদারী অপরাধের শামিল। অফিস সহকারী (কেরানীগণ) সাব রেজিষ্টারের পক্ষে ঐ নগদ ফিসই গ্রহণ করেন। এখানে আত্মসাৎ বা দূর্নীতির কোন বিষয় নেই। অপরদিকে বিভিন্ন অফিসের দলিল সম্পাদনের বিষয়ে সাব-রেজিস্ট্রারগণ স্থানীয় দলিল লেখকদের সাথে আলোচনা করে সপ্তাহে তিনদিন অথবা চারদিন দলিল সম্পাদনের কাজ করেন লেখকদের কথা বিবেচনা করে। কারন অধিকাংশ দলিল লেখক দলিল লেখার পাশাপাশি ভূমি জরিপের কাজ করে থাকেন । সপ্তাহের বাকী দিন গুলোতে সাব-রেজিষ্টারগণ অফিসের অন্যান্য দাপ্তরিক কাজ করেন। অতএব, উক্ত সংবাদ সম্মেলনে ও প্রকাশিত সংবাদে যাহা উল্লেখ করা হয়েছে, তাহা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন আমরা মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন বিষয় নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করাসহ প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।
রায়পুর সাব -রেজিস্ট্রি অফিস কর্তৃপক্ষ।

আরও পড়ুন

  • লক্ষ্মীপুর সংবাদ এর আরও খবর